1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

ইসরায়েল-বাহরাইন চুক্তি, কী ভাবছে আরব দেশগুলো

  • প্রকাশিত হয়েছে: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে সর্বশেষ যে দেশটি রয়েছে, সেটি হলো বাহরাইন। আরব আমিরাতকে রাজি করানোর মাসখানেকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের এটা দ্বিতীয় সাফল্য।শুক্রবার যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও বাহরাইন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে কথা বলার পর দেশদুটো পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি হয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। বাণিজ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে তলে তলে যোগাযোগ থাকলেও তা প্রকাশ পায়নি। তবে মাসখানেক আগে দু’দেশের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে এই যোগাযোগ প্রকাশ্যে চলে আসে।

মিশর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর ইসরায়েলের সঙ্গে এই জাতীয় চুক্তিতে পৌঁছানো চতুর্থ আরব দেশ বাহরাইন। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘাতে বাহরাইন ও ইসরায়েলের এই চুক্তিতে বিভিন্ন মুসলমান দেশ বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ (পিএ) বাহরাইন-ইসরায়েলের সম্পর্ক সাধারণীকরণ চুক্তিকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের সমাজবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ মাজদালানি একে ফিলিস্তিনি স্বার্থে ও ফিলিস্তিনি জনগণের পিঠে ছুরিকাঘাত বলে অভিযোগ করেছেন।

গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী হামাস বলেছে, এই চুক্তি একটি আগ্রাসন। এর দ্বারা ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।

তবে বাহরাইন ও ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা বলেছে, এই চুক্তি এ অঞ্চল ও বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তি সুরক্ষা ও সমৃদ্ধির যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে। এটা অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক এবং কূটনৈতিক সুযোগকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

১৫ সেপ্টেম্বর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাভাবিক করবে এবং একই দিনে বাহরাইন ও ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ঘোষণায় সই করবে।

ওদিকে ইসরায়েল –বাহরাইন সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ্য করছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় বলা হয়েছে, বাহরাইনের শাসকরা এখন থেকে অঞ্চল ও ইসলামের সুরক্ষার জন্য নিয়মিত হুমকি হিসাবে ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধের অংশীদার হতে থাকবেন।

মিশর দুই দেশের মধ্যেকার এই চুক্তির প্রশংসা করে বলেছে, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রেসিডেন্ট আল-সিসি টুইটারে লিখেছেন, এই চুক্তি ফিলিস্তিন ইস্যুতে ন্যায়বিচার ও স্থায়ী মীমাংসার উদ্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।

ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইনের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ফিলিস্তিনের স্বার্থরক্ষার ক্ষেত্রে এটা এক নতুন আঘাত। এটা ফিলিস্তিনি ভূমি আগ্রাসনে ইসরায়েলকে আরো উৎসাহিত হওয়ার মতো বৈধতা দিয়েছে।

জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই অঞ্চলে সুষ্ঠু ও ব্যাপক শান্তি অর্জনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো ইসরায়েলের কাছ থেকেই আসা উচিত। তাদের উচিত দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে এগিয়ে যাওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের ভূমিগ্রাস বন্ধ করা।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ