1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

পড়ালেখায় অমনোযোগী, ছাত্রকে হাত-পা বেঁধে মাদরাসা শিক্ষকের মারধর

  • প্রকাশিত হয়েছে: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ছাত্র রাকিবুল ইসলাম পড়ালেখায় অমনোযোগী হওয়ায় তার হাত-পা বেঁধে মারধর করেছেন মাদরাসার শিক্ষক ইব্রাহীম। সাভারের আশুলিয়া মধুপুর এলাকায় জাবালে নূর মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। রাকিবুলকে মারধরের পর পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় ওই মাদরাসার আরেক শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানকেও হাত-পা বেঁধে মারধর করেন ওই শিক্ষক।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব আহসানের আদালতে শিক্ষক ইব্রাহীম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন শিক্ষক ইব্রাহীম।

জবানবন্দিতে মাদরাসার শিক্ষক ইব্রাহীম বলেন, ‘আমি জাবালে নূর মাদরাসার শিক্ষক। মাদরাসার ছাত্র রাকিবুল ইসলাম দুষ্টু প্রকৃতির ছিল। সে ইতোমধ্যে মাদরাসা থেকে দুবার পালিয়ে গেছে। সে পড়ালেখায় অমনোযোগী ও দুষ্টুমি করতো। এর জের হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করি। তাকে মারার পর মাহফুজুর রহমান নামে আরেক ছাত্র পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে। তখন তাকেও হাত-পা বেঁধে মারধর করি। ১২ সেপ্টেম্বর রাকিবুলের ফুফু তাকে মাদরাসা থেকে নিয়ে যান। ১৪ সেপ্টেম্বর তাদের মারধরের বিষয়টি এলাকার লোকজন জেনে যায়। তখন তারা এসে আমাকে গণধোলাই দেয়। এরপর আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর হাসপাতাল থেকে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করেন।’

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ার কবির বাবুল।

তিনি বলেন, ‘আজ ইব্রাহীমকে আদালতে হাজির করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। সে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ার শ্রীপুরের মধুপুর জাবালে নূর মাদরাসার ছাত্র রাকিবুল ইসলাম (১৩) এবং মাহফুজুর রহমান (১৩) নামের দুই ছাত্রকে অন্য শিক্ষার্থীদের সামনে বেত দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন মাদরাসার শিক্ষক ইব্রাহীম। মারধরের ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেন রাকিবুলের বাবা এমদাদুল ইসলাম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাদরাসার একটি কক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম হাতে বেত নিয়ে শিশু শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলামকে পেটাচ্ছেন। একপর্যায়ে শিশু রাকিবুল ওই শিক্ষকের পা ধরলেও তিনি ক্রমাগত পেটাতে থাকেন। একই সময় পাশেই মাহফুজ নামের অপর শিশুছাত্রকে মারধরের পর দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেজেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ