1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

কান্না থামছেই না রিফাতের মায়ের

  • প্রকাশিত হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে শাহনেওয়াজ শরীফ ওরফে রিফাত শরীফ। খুব সাজানো সংসার ছিল তাদের। কিন্তু এক বছর তিন মাস আগে রিফাতকে হারিয়ে সবকিছু যেন চুরমার হয়ে গেল। আর ছেলে হারানোর দিন থেকেই কান্না থামছে না মা ডেইজি বেগমের।
রিফাতকে কবর দেয়া হয় বাড়ির দরজায়। প্রতিদিন সকাল-বিকেল ছেলের কবরের সামনে গিয়ে মা প্রার্থনা করেন- রিফাতকে আল্লাহ যেন জান্নাতবাসী করেন। আর খুনিরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়। মঙ্গলবার বিকেলেও ছেলের কবরের সামনে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের রায় বুধবার। ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে তারই স্কুলজীবনের বন্ধু সাব্বির আহম্মেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড ও তার সঙ্গীরা।

রিফাতের বোন ইসরাত জাহান মৌ বলেন, ভাইয়ার খুনের মামলার রায় হবে বুধবার। মঙ্গলবার সকাল থেকেই মা কাঁদছেন। কোনোভাবেই কান্না থামানো যাচ্ছে না।

ইসরাত জাহান বলেন, ভাইয়াকে আর ফিরে পাব না। তবে তার খুনিদের কঠোর শাস্তি হলে আমরা একটু সান্ত্বনা পাবো। স্বস্তি পাবেন আমার মা। অপরাধীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যেন ভবিষ্যতে আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ। এতে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল। এরপর আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও দেখে মিন্নির বাবার বিরুদ্ধেও মামলা করার কথা জানান রিফাতের বাবা। একপর্যায়ে মামলার প্রধান সাক্ষী মিন্নিকে ১৬ জুলাই রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের তদন্তে স্বামী হত্যায় ফেঁসে যান মিন্নি। পরদিন তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। দুইদিন পরে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

১৬ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এরমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করা হয়। এ মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ
DMCA.com Protection Status