1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

কনডেম সেলে মিন্নি, ফোনে কথা বলেছেন বাবা মায়ের সঙ্গে

  • প্রকাশিত হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে


বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিকে বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। তবে মিন্নিসহ ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বরগুনা জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কারাবিধি অনুযায়ী ছয় বন্দিকেই কনডেম সেলে থালা, বাটি ও কম্বল দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি আসামিকে কারাগারের পক্ষ থেকে দুই সেট পোশাক দেওয়া হয়েছে। এ পোশাক তারা পরিধান করবেন। এবং নিয়মিত আসামিরা যে খাবার গ্রহণ করেন, সেটা তাদের দেওয়া হচ্ছে।’

জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে আরও বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারের যে বিশেষ কক্ষে রাখা হয়, সেটাকে কনডেম সেল বলে। আর কনডেম সেলের বন্দিরা কখনো সেলের বাইরে বের হতে পারেন না। কনডেম সেলের বন্দিরা মাসে একবার তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া সপ্তাহে একবার তাঁরা ফোনে স্বজনদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কথা বলতে পারেন। সে হিসেবে আজ সকালে মিন্নি তাঁর মা-বাবার সঙ্গে ফোনে পাঁচ মিনিট কথা বলেছেন।’

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর এ বিষয়ে বলেন, ‘মিন্নির সঙ্গে সকালে আমি ও তাঁর মা কথা বলেছি। আমার মেয়েটা খুবই বিধ্বস্ত। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করব।’

বরগুনা জেল সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, বরগুনার কারাগারে নারী বন্দিদের মধ্যে মিন্নিই একমাত্র কনডেম সেলের আসামি। তাকে নারী ওয়ার্ডের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া রিফাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া অপর পাঁচ পুরুষ আসামিকেও কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। এই পাঁচ পুরুষ বন্দি ছাড়া বরগুনার কারাগারের কনডেম সেলে আর কোনো পুরুষ বন্দি নেই বলে উল্লেখ করেন জেল সুপার আনোয়ার হোসেন।

এর আগে বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায় দেন। এসময় আদালতে মিন্নিসহ সব আসামি উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পরেই পৃথকভাবে আদালত থেকে দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডের ক্যালিক্স একাডেমির সামনে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সহযোগীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় রিফাতকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাকে বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যান। এরপর রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ডকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও পাঁচ/ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় প্রথমে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করেছিলেন নিহত রিফাতের বাবা।পরে এ হত্যাকান্ডে তার সংযুক্তি থাকায় তাকে আসামী করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ
DMCA.com Protection Status