1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

জে এস সি, এস এস সি ও সমমান পরিক্ষার ফলাফল ভিত্তি করে ডিসেম্বরেই এইচ এস সির ফল প্রকাশ

  • প্রকাশিত হয়েছে: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে


অবশেষে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। জেএসসি ও সমমান এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের গড়ের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের ২০২০ সালের এইচএসসি পাসের মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়নের পর ডিসেম্বরে এই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। গতকাল ভার্চুয়াল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর এই ব্রিফিংয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে সংশয় কাটল। ব্রিফিংয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল দেওয়ার সিদ্ধান্তে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করবেন। আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গতকাল এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বছর কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখানোর সুযোগ নেই।

শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির এ মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বলেন, এটি আদর্শ কোনো ব্যবস্থা নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে সব ঝুঁকি এড়িয়ে সর্বোচ্চ ভালো কী করা যায় সেটি আমরা করার চেষ্টা করছি। প্রতিবেশী দেশগুলোর পরীক্ষার মূল্যায়ন দেখেই ‘আন্তর্জাতিক মানের’ মূল্যায়ন করা হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দেশে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রেও কোনো সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। শিক্ষামন্ত্রী ব্রিফিংয়ে বলেন, সারা দেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৭১ জন আর অনিয়মিত পরীক্ষার্থী রয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫০১ জন। এক বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ৯২৯ জন, দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ৫৪ হাজার ২২৪ জন এবং সব বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ৫১ হাজার ৩৪৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। নিয়মিত-অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর বাইরে প্রাইভেট পরীক্ষার্থী রয়েছেন ৩ হাজার ৩৯০ জন। মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী রয়েছেন ১৬ হাজার ৭২৭ জন। ডা. দীপু মনি বলেন, কভিড-১৯ পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিতে ৩০ থেকে ৩২ কর্মদিবস প্রয়োজন হয়। ২ হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

পরীক্ষা কেন্দ্রে এক বেঞ্চে দুজন করে আসন নির্ধারিত থাকে। স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে প্রতি বেঞ্চে একজন করে ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে দ্বিগুণ পরীক্ষা কেন্দ্র প্রস্তুত করতে হবে। প্রশ্নপত্র অনেক আগেই প্যাকেটজাত করে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যমান কেন্দ্রভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্যাকেট ভেঙে নতুন প্যাকেট করারও সুযোগ নেই। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয় কমিয়ে কিংবা সিলেবাস কমিয়ে হয়তো পরীক্ষা নেওয়া যায়, কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকের প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষা নেওয়া শুরু হলে পরীক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে কী হবে? এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশে কী করা হয়েছে তা আমরা দেখেছি। বেশির ভাগ জায়গায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে বা এখনো স্থগিত রয়েছে। আমাদের কাছে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণ না করে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা না নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন একেবারেই নতুন। ফলে কীভাবে মূল্যায়ন করা হলে ফলাফল দেশে ও বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করবে এবং শিক্ষার্থীদের পরবর্তী জীবনে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে কিনা সে বিষয়গুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

ডিসেম্বরের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা বলে জানান মন্ত্রী, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যাতে জানুয়ারি থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তি করা যেতে পারে।

করোনার কারণে এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষা/মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। নভেম্বরে এসব পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ
DMCA.com Protection Status