1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

ধর্ষকদের ফাসি নয়, ৫০ বছর সশ্রম কারাদন্ড

  • প্রকাশিত হয়েছে: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নয়, বরং ৫০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান করার জন্য আন্দোলন করতে হবে।ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিকে ধাপ্পাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মানববন্ধন, প্রতিবাদী সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। এক অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি দেশজুড়ে যে ব্যাপক হারে ধর্ষণ, নারীর প্রতি সহিংসতা, বিনা বিচারে হত্যার ঘটনা ঘটে চলেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে সারা দেশ ফুঁসে উঠেছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ধর্ষণ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ভাসানী অনুসারী পরিষদ। এতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছাড়াও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, গণদলের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী, ডিএসসিসি’র সাবেক কমিশনার ফরিদ উদ্দিন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির নেতা আকতার খান, পরিষদের মহানগর কমিটির নেতা মনিরুজ্জমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দিকে একটি পদযাত্রা বের করা হয়।

পদযাত্রার আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রশ্ন রেখে বলেন, ধর্ষণের মতো এত বড় অপরাধ যারা করেছে, তাদের দুই মিনিটে ফাঁসি হবে। দুই মিনিটেই তাদের শাস্তি শেষ হয়ে যাবে? আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ফাঁসির আন্দোলন না করে ৫০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের দাবি জানান। তবে সম্রাটের মতো কারাদণ্ড নয়। কেননা পিজি হাসপাতালে ১১ মাস তারা ভিআইপি কেবিনে কাটায়। এ ধরনের ছলনা নয়। আজকে যদি ভাবেন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন থেমে যাবে, এটা ভুল।

আসিফ নজরুল বলেন, এই সরকার ক্যাসিনো ব্যবসায়ী, খুনি, লুটেরাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। বিচারের কথা বলে মাঝে মধ্যে দু-একটি চুনোপুঁটিকে ধরে, কিন্তু মূলোৎপাটনের কোনো উদ্যোগ নেয় না। বুয়েটের ছাত্র আবরারের হত্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবরার ছিল আগ্রাসী ভারতের কাছে এ সরকারের নতজানু নীতির প্রথম প্রতিবাদকারী। এ কারণে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার স্মৃতিতে নির্মিত স্তম্ভ ভেঙে দিয়েছে। আজ ২০২০ সালে যারা আবরারের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে দেয়, তারাই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, খবরের কাগজ খুললেই এখন শুধু ধর্ষণ, খুন, দুর্নীতির খবর। এ ঘটনাগুলো আমাদের সব অর্জনকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। আমরা লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছি। এ ঘটনাগুলো প্রমাণ করছে রাষ্ট্র ভেতর থেকে ক্রমেই ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। একে ঢেলে সাজাতে হবে। এ অবস্থা চলতে পারে না, চলতে দেয়া যায় না। জোনায়েদ সাকি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এসব নারকীয় ঘটনা ঘটছে। এদের বিচার হয় না। একদিকে ক্ষমতার যোগ, অন্যদিকে বিচারহীনতা।

আওয়ামী ওলামা লীগ : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার নারীদের ইজ্জত-আবরুর রক্ষায় কাজ করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নৈতিক অবক্ষয় থেকে উত্তরণে ধর্ষণ-বলাৎকার নামক হিংস ব্যাধি রোধে যৌন সন্ত্রাসীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে ওলামা লীগের নেতারা এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় নেই, তার একমাত্র পরিচয় সে যৌন সন্ত্রাসী। মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অনৈতিক অবক্ষয় থেকে উত্তরণে ধর্ষণ ও বলাৎকার নামক হিংস ব্যাধি রোধে যৌন সন্ত্রাসীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি এখন সময়ের দাবি। জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী’র সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিল, ওলামা লীগ নেতা ক্বারি আসাদুজ্জামান, মুফতী আবদুল আলীম বিজয়নগরী, মাওলানা রবিউল আলম সিদ্দিকী, মাওলানা ফরিদ হোসাইন, হাফেজ মাওলানা আখতার হোসাইন বিন ফারুকী প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ
DMCA.com Protection Status