1. jubayer.jay@gmail.com : jubayer Ahmed : jubayer Ahmed
  2. admin@sylhetmail24.com : jubayer :
  3. shahabuddin1234@gmail.com : shuhebkhan :
  4. unoskhanrukon@gmail.com : unoskhan :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২০ অপরাহ্ন

শরীরে মাত্রাতিরিক্ত আঘাতের ফলেই রায়হানের মৃত্যু হয়-ময়নাদন্তের রিপোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫ বার পড়া হয়েছে


গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীর বন্দর বাজার পুলিশি হেফাজতে নিহত রায়হানের লাশ কবর থেকে তুলে পুনঃময়নাদন্ত করা হয় এবং শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে পুনঃময়নাতদন্তে উঠে এসেছে।


এরপর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম বলেন, ‘তিন সদস্যের একটি দল রায়হানের মরদেহ পুনরায় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা বলেছি, আসলে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

এর আগে গেল ১১ অক্টোবর প্রথম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গতকাল কোতোয়ালি থানায় দাখিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে রায়হানের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে গতকালও সিলেট নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন রায়হানের মা সালমা বেগম। একইসঙ্গে তিনি আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

সালমা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেটারে বিনা দোষে এনে মাইরা ফেলছে। আসামিরে বরখাস্ত করা হইছে, তিনি পালিয়ে যান কীভাবে?’

সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান উদ্দিন আহমদকে (৩৩) গেল শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে বন্দর বাজার ফাাঁড়িতে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের তদন্তেই উঠে এসেছে। ঘটনার পরদিন রবিবার সকালে রায়হানের লাশ পায় পরিবার।

ওইদিন রাতেই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

স্বজনদের অভিযোগ, ১০ হাজার টাকা না পেয়ে রায়হানকে পুলিশ হেফাজতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশের দাবি, নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাষ্টঘর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন রায়হান।

‘যে এলাকায় গণপিটুনির কথা বলা হচ্ছে সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেছে এ ধরনের কোনও কিছু দেখা যায়নি’- বলছেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

রায়হান হত্যার দুদিন পর সোমবার (১২ অক্টোবর) ওই ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়াও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ বিভাগের আরো সংবাদ
DMCA.com Protection Status